বার বি কিউ

প্রেমিকার সাথে একটি বার-বি-কিউ সন্ধ্যা কাটানো যেতে পারে শেষ সূর্যের আগে;
যখন একটি কাঠবেড়ালি তিন কোটি বছর ডুবে থেকে শোকে,
পারস্পরিক স্বাস্থ্য পান করবে তিন মিনিটে!

মাতাল মাত্রই বহুগামী নয়,
এই সত্য জেনেছিলো আয়না ভেঙ্গে যাওয়ার আগে;
কাচের টুকরোগুলোকেও তারপর থেকে কেমন মহৎ মহৎ লাগে!

শেষ পর্যন্ত কষ্টই মানুষকে বেঁধে রাখে

 

উঠোন পেরিয়ে গেছে কতো শীতল জলাশয়,
হলুদ হয়েছে একেকটা প্রহরের নির্বাক পাতা প্রগাঢ় জন্ডিসে ।
কখনও অবুঝ অসংখ্য বরফ বর্ষণে মরে গেছে স্বপ্ন-মুকুল, চোখের কাদায় ভরে গেছে পর পর বছরের বিনম্র মাঠ।
সবুজ সুখের ক্ষেত থেকে উড়ে গেছে বিশ্বস্ত ফড়িং আর ডানার স্রোতে জল-মাছি কেবল এনেছে ভাটির পলি ।

বয়সী বটের মতো কখনও নিজেরই মৌনতায় আশ্রয় পেয়েছে তস্কর,
কখনওবা সাধুর তাবিজ বিঁধেছে গায়ে ।
ফুলের ফুঁয়ে টলমল করেছে আঁসু ;
অথচ এক বুকে ঢেকেই লুটপাট পৃথিবী সয়েছে তুমি বা তোমাদের পাথর ।
দেখেছে,

অনেক রাত পোহালেও আঘাতেই জমা থাকে মানুষ।

শ্রাবণ সৌরভ

contact@atpoure.com

Leave a Reply