একাকিত্ব উপভোগ্য করে তুলবেন যেভাবে

এখনো বিয়ে করছোনা কেন? কোনো সমস্যা? সারাজীবন একা কিভাবে কাটাবে? ত্রিশ পেরিয়ে গেছে, এমন অবিবাহিত নারী বা পুরুষ নির্বিশেষে সবাইকেই এসব গতানুগতিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় প্রতিনিয়ত। কিন্তু আপনি হয়তো একা থাকা নিয়ে মোটেও বিচলিত নন। কোন রকম অভিযোগ ছাড়াই, নিজের প্রতিটি মুহুর্ত উপভোগ করছেন। অতি উৎসাহীদের এসব প্রশ্নে একদম বিচলিত না হয়ে কিভাবে আরো উপভোগ করবেন এই একা থাকাকে তা নিয়েই এবারের কিছু টিপস রইলো।

একাকিত্ব উপভোগ্য করে তুলবেন যেভাবে 

ক’দিনের ছুটি পেয়েছেন। কাছে বা দূরে কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন,  তবে বেরিয়ে পড়ুন একাই। আপনি যদি একজন কর্মজীবী নারী হয়ে থাকেন, হয়তো ভাবছেন এদেশে কি একা বেড়ানো সম্ভব? দুঃশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। স্বল্প দূরত্বে বেড়িয়ে আসুন বিদেশ থেকেই। কোথায় যাবেন? জায়গাটা বাছুন আপনার ব্যাক্তিত্ব অনুযায়ী। যেতে পারেন থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর অথবা নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার। এই একাকী ভ্রমণ আপনাকে করে তুলবে আরো আত্মবিশ্বাসী এবং স্বাধীন।

আপনি যদি চাকরিজীবী হন, তবে কাজে আরো সময় দিন। কাজ নিয়ে ভাবুন। এতে আপনার পদোন্নতি যেমন কেউ আটকাতে পারবে না। তেমনি, অফিসের কাজে উপযুক্ত সময় ব্যয় আপনাকে করে তুলবে আনন্দিত ও আত্মবিশ্বাসী।

বন্ধুদের সাথে সময় কাটান। কাজের পর চলে যান কোনো এক জায়গায়। কাটিয়ে আসুন মজার কিছু মূহুর্ত। মাঝে মাঝে পার্টি দিন সবাইকে নিয়ে।

কাজ শেষে শপিং-এ যান অথবা সিনেমা হলে গিয়ে দেখে আসুন প্রিয় সিনেমা। অনেকের কাছেই একা শপিং করা বা ছবি দেখার আইডিয়াটা খুব একটা পছন্দ হবে না। কিন্তু একবার করেই দেখুন না। নিজেকে আবিষ্কার করবেন নতুন ভাবে।

নিজের জন্য বাঁচা এবং নিজের দ্বারা বাঁচার মধ্যে পার্থক্যটা বুঝতে চেষ্টা করুন। আপনার উপার্জনে আপনার অধিকার সবচে’ বেশি। তাই, নিজের জন্য খরচের অভ্যাস করুন। শুধু শপিং করতে হবে এমনটা নয়, ভর্তি হন ইয়োগা, পিলাটে বা জুম্বা ড্যান্স ক্লাসে। শিখে ফেলুন নতুন কোনো ভাষা।

কাজ ও বাস্তবতার চাপে কি ভুলে গেছেন নিজের শখগুলো? মনে করুন তো, আপনি কি বাগান করতে, ক্যাকটাস বা বনসাই জমাতে অথবা রান্না করতে ভালোবাসতেন? এককালে কি আপনার যত্নে অনেকগুলো মাছ বড়ো হয়েছিলো এ্যাকুরিয়ামে? বেশি না ভেবে আপনার শখের কাজগুলো আবার শুরু করুন। এ কাজগুলো আপনাকে দেবে ক্লান্তি ভোলার মন্ত্র।

 

 

ইশরাত জাহান স্টেলা

ই-মেইল: contact@atpoure.com

Leave a Reply